সিএনজি চালক সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ,পরে জানা যায়...
সিএনজি চালক সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ,পরে জানা যায়...
ধানক্ষেতে ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী তাজমিনকে খু-*-এর ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজন সিএনজি চালক সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এই সুমন অত্যন্ত চতুর.....! 😤
তাঁর কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র ছিলো না এবং সে কোনো মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতো না। ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে তাঁকে ট্র্যাক করা পুলিশের জন্য অসম্ভব ছিলো। কিন্তু পুলিশ দমে যায়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার সুমনের বোন, দুলাভাই এবং খালা-শাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় পুলিশ। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একাধিক টিম চট্টগ্রামে অভিযান চালিয়ে
সুমনের ভাইয়ের বাসা থেকে তাঁকে হাতেনাতে ধরা হয়।
তাজমিনের লা**-এর পাশে ফেলে যাওয়া সেই উল্টে থাকা সিএনজির সূত্র ধরেই পুলিশ এই অন্ধ মিস্ট্রির জট খুলেছে।
গ্রেপ্তারকৃত সুমনের আসল বাড়ি চাঁদপুর জেলা।
তবে সে কুমিল্লার জয়নগর গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে থাকতো। স্থানীয় সিএনজি চালকদের মতে, সুমন চরম মা**কাসক্ত এবং বখাটে প্রকৃতির লোক। যে সিএনজিটি ঘটনাস্থলে পাওয়া গেছে, সেটি বাগমারা এলাকার মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তির। সুমন ওই সিএনজিটি দৈনিক ভাড়ায় চালাতো।
মৃ**র ঠিক আগে তাজমিন তাঁর বাবার হোয়াটসঅ্যাপে যে ফোনটি দিয়ে লাইভ লোকেশন আর শেষ মেসেজ পাঠিয়েছিল, সেই মোবাইল ফোনটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ ধারণা করছে, সুমন বা তাঁর সহযোগীরা ফোনটি কোথাও লুকিয়ে রেখেছে অথবা নষ্ট করে ফেলেছে। মামলার অন্যতম প্রধান আলামত হিসেবে এই ফোনটি উদ্ধারে জোর তৎপরতা চলছে।
সুমনকে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা জেলা ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে। এই জঘন্য ঘটনার পেছনে আসল মোটিভ কী ছিলো? সুমনের সাথে কোনো কিশোর গ্যাং বা মা-**কাসক্ত চক্র জড়িত ছিল কি না তা রিমান্ডে এনে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে বের করা হবে।
ঘটনাস্থলে সিএনজি ফেলে যাওয়ার ওই একটা ভুলের কারণেই পার পেয়ে যায়নি এই পি*- শাচ!
পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই এত দ্রুত প্রধান আসামিকে আইনের আওতায় আনার জন্য।

Comments
Post a Comment