অ স্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক; ভিডিও...more
অ স্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক; ভিডিও টা অল্প কিছুক্ষণের ভিতরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল...more
এযেন প্রভাবশালী এক ফাটাকেষ্ট চরিত্র।প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তোবা ইশরাক সাহেব কোন সিনেমার শুটিং অ্যাকশন মুভিতে অভিনয় করছেন। পরে দেখলাম যে,উনি মাদকবিরোধী অভিযানে নিজেই অস্ত্র হাতে মাঠে নেমেছেন। ইন্ডিয়ান মুভি ফাটাকেষ্ট সিনেমার সাদৃশ্য অ্যাকশনে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েছেন।
এই সেইম কাজটা যদি জামাতের কোন এমপি করতো তাহলে এতক্ষণে বাংলাদেশের হলুদ মিডিয়াগুলো আদা জল খেয়ে লেগে যেত। জামাতকে বিশ্বের দরবারে এক নম্বর স ন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে যা যা প্রয়োজন সেই পদক্ষেপ নিয়ে নিতো। জামাত দেশব্যাপী এতক্ষণে রেড সিগনালে পড়ে যেত।
হয়তো বা সংবিধানের নতুন কোন অধ্যায়তে এইটা ইনক্লুড হয়েছে যে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীরা অস্ত্র হাতে অপরাধীদেরকে ধাওয়া করতে পারবে। যদি এমন কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়ে থাকে তাহলে আজ মাদক সেবীদের কে অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করছে।আগামীতে কোন এক এম্পি বা মন্ত্রী আন্দোলনরত বিরোধীদল কেও এভাবে অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করতে দেখা যাবে। সরাসরি শর্ট গান হাতে নিয়ে মাঠে নামবে; জানিনা এমপি মন্ত্রীদের এমন রাইট আছে কিনা।
অপরাধ নির্মূল অথবা অপরাধীদের গ্রেপ্তার করার জন্য দেশে আইন আছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আছে। সেখানে ইশরাক সাহেব একজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে অস্ত্র হাতে অভিযানে মাঠে নেমেছে এইটা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম দেখা গেছে। জানিনা বাংলাদেশের জনগণ এটাকে কিভাবে দেখছেন। তবে এর ভয়াবহতা সামনে অপেক্ষা করছে। সেলফ সেফটি সিকিউরিটির জন্য এমপি মন্ত্রীদের কে লাইসেন্সধারী অস্ত্র দেওয়া হয়। তাই বলে সেটা অপরাধীদের কে ধাওয়া দেওয়ার জন্য নয়।
প্রতিমন্ত্রী ইসরাক সাহেব মাদকবিরোধী অভিযানে নিজ হাতে অস্ত্র তুলে নিয়ে অস্ত্র আইন ১৮৭৮ এর ধারা নম্বর ২ অনুযায়ী লাইসেন্সের শর্ত ভাঙলে ৬ মাসের জেল এবং দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ধারা ৫০৬ অনুযায়ী আগ্নেয় অস্ত্র দিয়ে ভয় ভীতি দেখালে দুই বছরের জেল বরণ করার মত অপরাধ করেছেন। ব্যক্তিগত সেফটি সিকিউরিটি লাইসেন্স প্রাপ্ত অস্ত্র অন্যকে ভয় ভীতি দেখানোর জন্য ব্যবহার করা যাবে না যেটা দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তার কাজ অর্ডার অফ পে সাবমিট করা। অস্ত্র হাতে নিজে ঝাঁপিয়ে পড়া নয়। দেশব্যাপি তার ব্যক্তিত্ব ও আত্মমর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে।

Comments
Post a Comment